বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ
বাংলাদেশের পরিচিতি · বিস্তারিত তথ্য



বিস্তারিত বিবরণ
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নয় মাসব্যাপী এই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিজয় লাভ করে এবং প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র।
এই ঐতিহাসিক যুদ্ধে প্রায় তিন লক্ষাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের স্বাধীনতার জন্য। একই সঙ্গে প্রায় দুই লক্ষাধিক নারী নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে তাঁদের সম্ভ্রম হারিয়েছেন পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল মূলত তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হিসেবে। অসহযোগ আন্দোলন, গণহত্যা ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই সংগ্রাম ধীরে ধীরে পরিণত হয় একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা যুদ্ধে।
২৫ মার্চ তারিখে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ভয়াবহ 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর মাধ্যমে নির্বিচারে গণহত্যা চালানো হয়, যার ফলে অসংখ্য নিরীহ মানুষ শহীদ হন। যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে গঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং যুদ্ধের বিজয় উৎসবের মধ্য দিয়ে এই মহান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। স্বাধীনতা কোনো দলিলে লেখা থাকে না— তা আদায় করতে হয় রক্ত, ত্যাগ এবং দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে। দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি আমাদের অন্তহীন শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এই যুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ক্যাটাগরি: ইতিহাস ও ঐতিহ্য.
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নয় মাসব্যাপী এই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিজয় লাভ করে এবং প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র। এই ঐতিহাসিক যুদ্ধে প্রায় তিন লক্ষাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা...