বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান



জীবন বৃত্তান্ত
জন্ম ও শৈশব
১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন পরোপকারী ও প্রতিবাদী। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি হয়।
রাজনৈতিক উত্থান
কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাহচর্যে সক্রিয় রাজনীতিতে জড়ান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৪৮ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন এবং কারাবরণ করেন। তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগের (পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ) যুগ্ম সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেশব্যাপী দলকে সংগঠিত করেন।
আন্দোলন ও কারাবাস
১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮-এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা ঘোষণার মাধ্যমে তিনি বাঙালির মুক্তির সনদ উপস্থাপন করেন। এর ফলে তাঁকে বারবার কারাবরণ করতে হয় এবং ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি কারামুক্ত হন এবং 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।
স্বাধীনতা সংগ্রাম
১৯৭০-এর নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করলেও পাকিস্তানি জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা করে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রমনা রেসকোর্স ময়দানে তিনি এক ঐতিহাসিক ভাষণে জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত প্রস্তুতির আহ্বান জানান। ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্র পরিচালনা ও মৃত্যু
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর ১৯৭২ সালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য তাঁকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে।
কর্মজীবনের ইতিহাস
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রোফাইলটি মন্ত্রিসভা শ্রেণির তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
জন্ম ও শৈশব ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন পরোপকারী ও প্রতিবাদী। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি হয়। রাজনৈতিক উত্থান কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাহচর্যে...