নাফাখুম জলপ্রপাত
থানচি • বান্দরবান • চট্টগ্রাম


বিস্তারিত বিবরণ
নাফাখুম জলপ্রপাত: বাংলার নায়াগ্রা
বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত নাফাখুম জলপ্রপাতটি প্রকৃতিপ্রেমী ও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের কাছে এক স্বপ্নিল গন্তব্য। এর বিশাল জলরাশি এবং পাথুরে পাহাড়ের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা স্রোত একে এক অনন্য রূপ দান করেছে।
নামকরণ ও লোককথা
নামের অর্থ: 'নাফাখুম' শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে। 'ঙাফা' মানে মাছ এবং 'খোং' বা 'খুম' মানে জলপ্রপাত।
নাফা মাছের গল্প: রেমাক্রি নদীতে 'নাফা' নামে এক প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়, যা স্রোতের বিপরীতে চলে। এই জলপ্রপাতটি অতিক্রম করার সময় মাছগুলো যখন লাফিয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করে, তখন স্থানীয় আদিবাসীরা জাল দিয়ে সেগুলো ধরে ফেলে। এই চমৎকার বিষয়টি থেকেই এর নাম হয়েছে 'নাফাখুম'।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য
অবস্থান: এটি বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ৭৯ কিমি দূরে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত।
মর্যাদা: আয়তন ও জলরাশির দিক থেকে এটিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলপ্রপাত (অমিয়াখুমের পর) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রকৃতি: সাঙ্গু নদীর উজান বেয়ে রেমাক্রি যাওয়ার পথে দুপাশে উঁচু পাহাড় আর মেঘের লুকোচুরি পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
যাতায়াত ও ভ্রমণ পথ
নাফাখুম পৌঁছানো বেশ রোমাঞ্চকর এবং কিছুটা কষ্টসাধ্য:
বান্দরবান থেকে থানচি: প্রথমে 'চাঁদের গাড়ি' বা জিপে করে ৩ ঘণ্টায় থানচি পৌঁছাতে হয়।
থানচি থেকে রেমাক্রি: সাঙ্গু নদী দিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় (বর্ষায় ২.৫ - ৩ ঘণ্টা) রেমাক্রি যেতে হয়। শীতকালে পানি কম থাকায় হাতে টানা নৌকা ব্যবহার করতে হয়।
রেমাক্রি থেকে নাফাখুম: রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে যাওয়া যায়। পাহাড় ডিঙিয়ে বা রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা ট্রেকিং করে পৌঁছানো যায় এই অনিন্দ্য সুন্দর জলপ্রপাতে।
নাফাখুম জলপ্রপাত সম্পর্কে
নাফাখুম জলপ্রপাত বাংলাদেশের একটি দর্শনীয় স্থান। এটি অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং ধরনের পর্যটন কেন্দ্র। এটি থানচি • বান্দরবান • চট্টগ্রাম এলাকায় অবস্থিত।
নাফাখুম জলপ্রপাত: বাংলার নায়াগ্রা বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত নাফাখুম জলপ্রপাতটি প্রকৃতিপ্রেমী ও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের কাছে এক স্বপ্নিল গন্তব্য। এর বিশাল জলরাশি এবং পাথুরে পাহাড়ের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা স্রোত একে এক অনন্য রূপ দান করেছে। নামকরণ ও লোককথা নামের অর্থ: 'নাফাখুম' শব্দটি মারমা ভাষা থেকে...