শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত
তালতলী • বরগুনা • বরিশাল



বিস্তারিত বিবরণ
অবস্থান :
বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায়। এটি পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় অবস্থিত।
আয়তন : সৈকতটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার।
নামকরণ :সূর্যাস্তের সময় সমুদ্রের আকাশ ও পানির মায়াবী রূপের কারণে পর্যটকরা একে ভালোবেসে 'শুভ সন্ধ্যা' নামে ডাকেন।
ইতিহাস :এটি অপেক্ষাকৃত নতুন আবিষ্কৃত একটি পর্যটন কেন্দ্র। ২০১৭ সালের দিকে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এটি পর্যটকদের জন্য পরিচিতি লাভ করে।
বৈশিষ্ট্য: একদিকে বিশাল সমুদ্র আর অন্যদিকে ঝাউবনের সমারোহ। এখানে দাঁড়ালে একই সাথে নদী ও সমুদ্রের মিতালি দেখা যায়। লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ এর অন্যতম সৌন্দর্য।আশে-পাশের এলাকায় ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের(মগ) বসবাস রয়েছে।
বিশেষ করে,এখানে হিন্দুধর্মালম্বীদের "রাশ" নামক উৎসব হয়ে থাকে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে লঞ্চ বা বাসে বরগুনা। এরপর বরগুনা সদর থেকে ট্রলারে বা আমতলী হয়ে তালতলী পৌঁছাতে হয়। তালতলী উপজেলা সদর থেকে মোটরসাইকেল বা অটোতে করে সৈকতে যাওয়া যায়।
প্রবেশমূল্য: বর্তমানে এখানে প্রবেশের জন্য কোনো প্রবেশমূল্য নেই।
সতর্কতা :আসার পূর্বে স্থানীয় গাইডদের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে সাথে নিয়ে ভ্রমণ করা নিরাপদ।
শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের একটি দর্শনীয় স্থান। এটি সমুদ্র সৈকত ধরনের পর্যটন কেন্দ্র। এটি তালতলী • বরগুনা • বরিশাল এলাকায় অবস্থিত।
অবস্থান : বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায়। এটি পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় অবস্থিত। আয়তন : সৈকতটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার। নামকরণ : সূর্যাস্তের সময় সমুদ্রের আকাশ ও পানির মায়াবী রূপের কারণে পর্যটকরা একে ভালোবেসে 'শুভ সন্ধ্যা' নামে ডাকেন। ইতিহাস : এটি অপেক্ষাকৃত নতুন...